নিজস্ব প্রতিবেদক
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ্ সিদ্দিকী বলেছেন, বাংলাদেশের মানুষের হাজার বছরের ঐতিহ্য সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উপর প্রতিষ্ঠিত। ধর্ম যার যার, উৎসব সবার—এই চেতনাই আমাদের জাতির শক্তি। বিএনপি সবসময়ই এই সম্প্রীতি ও সহাবস্থানের পরিবেশ রক্ষায় অঙ্গীকারবদ্ধ। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি অসাম্প্রদায়িক চেতনার ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন।
দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া তাঁর শাসনামলে সব ধর্মীয় উৎসবে সহযোগিতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছিলেন। আজ ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানও আগামীর বাংলাদেশকে সম্প্রীতি ও সহমর্মিতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে গড়ে তুলতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
সকলের সার্বিক সহযোগিতার কারণেই পূজামণ্ডপগুলোতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। বিএনপি বিশ্বাস করে, সব সম্প্রদায়ের অধিকার ও নিরাপত্তা রক্ষার মাধ্যমেই একটি প্রকৃত গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা সম্ভব।
বুধবার জৈন্তাপুর উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় তিনি মান্ডপ কমিটির নেতৃবৃন্দ ও পূণ্যার্থীদের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং সার্বিক খোঁজখবর নেন।
তিনি আরো বলেন, জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট ও কোম্পানীগঞ্জ উন্নয়ন সম্ভাবনায় ভরপুর অঞ্চল হলেও বিগত ১৫ বছরে অবহেলা, লুটপাট ও বৈষম্যের কারণে এই অঞ্চলের প্রকৃত উন্নয়ন হয়নি।
এখানে যে প্রাকৃতিক সম্পদ, পর্যটন সম্ভাবনা ও কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি রয়েছে, সেগুলোর সঠিক ব্যবহার হলে এই তিন উপজেলার চেহারা বদলে যেত। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশের প্রান্তিক অঞ্চলের উন্নয়নকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েছিলেন। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া তাঁর শাসনামলে সিলেট অঞ্চলে সড়ক, শিক্ষা ও বিদ্যুৎ খাতে ব্যাপক উন্নয়ন করেছিলেন। আগামীর রাষ্ট্রনায়ক তারেক রহমানও টেকসই উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে এই অঞ্চলকে সমৃদ্ধ অঞ্চলে রূপান্তর করতে বদ্ধপরিকর।
এসময় উপস্থিত ছিলেন- বিএনপি সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাফিজ, বিএনপি সাংগঠনিক সম্পাদক ও নিজপাট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ইন্তাজ আলী, ২ নং জৈন্তাপুর ইউনিয়ন এর সাবেক চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন, উপজেলা জাসাস সভাপতি এম আর মামুন, উপজেলা জাসাস সাধারণ সম্পাদক সাজিদ আহমদ তারেক চেয়ারম্যান প্রমূখ।